জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (এনইউ) বাংলাদেশ অবশেষে অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা ২০২৩-এর ফলাফল ১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করেছে। একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমোদনের পর এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ৩১টি বিষয়ে ২.৫ লক্ষের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আপনি যদি মৌলিক তথ্যের বাইরে গিয়ে পরীক্ষার গঠন, গ্রেডিং সিস্টেম, সিজিপিএ প্রত্যাশা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান—এই গাইডটি আপনার জন্য। এই ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক যাত্রার শেষ ধাপ সম্পন্ন করতে পারবেন এবং ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করতে সহায়তা পাবেন।
অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা ২০২৫ রেজাল্ট
বিষয়
তথ্য
পরীক্ষার সেশন
২০১৯-২০২০ (পরীক্ষার বছর: ২০২৩) – এই সেশনের শিক্ষার্থীরা কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বিলম্বিত পরীক্ষা দিয়েছেন।
পরীক্ষার তারিখ
৮ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট ২০২৫ (বাংলাদেশের ১৪৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত) – প্রতিদিন ২টি শিফটে (সকাল ৯টা ও দুপুর ১:৩০) পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান
৮৭৩টি কলেজ (এনইউ-এর অধিভুক্ত, দেশব্যাপী ২০ লক্ষের বেশি শিক্ষার্থী সেবা প্রদানকারী) – এর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ কলেজ রয়েছে।
মোট পরীক্ষার্থী
২,৫৬,৫৯১ জন (৩১টি অনার্স বিষয় থেকে, নিয়মিত, অনিয়মিত ও উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ) – এর মধ্যে ৫৫% ছাত্রী এবং ৪৫% ছাত্র।
বিষয়সমূহ
৩১টি শাখা, যেমন—বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি। পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক কোর্স, লিখিত (তত্ত্ব), মৌখিক (ভাইভা) ও ব্যবহারিক মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত। প্রতি বিষয়ে ১০০ নম্বরের তত্ত্ব, ২৫ নম্বরের ভাইভা এবং বিজ্ঞান বিষয়ে ৫০ নম্বরের ব্যবহারিক।
পাসের মানদণ্ড
প্রতিটি বিষয়ে কমপক্ষে ৪০% নম্বর (ডি গ্রেড, ২.০০ জিপিএ পয়েন্ট) পেতে হবে। সব উপাদানে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। অনুপস্থিত থাকলে বিষয়টি ফেল গণ্য হবে।
গড় পাসের হার
৬৮.৬৭% (পূর্ববর্তী বছরের ৭০-৭১% থেকে সামান্য হ্রাস, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি ও মহামারি-পরবর্তী সমন্বয়ের কারণে) – এর মধ্যে ১৫% শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি অর্জন করেছে।
ফলাফল প্রকাশের সময়
১৩ নভেম্বর ২০২৫, রাত ১১:৪৫ টা থেকে উপলব্ধ – প্রথম ২ ঘণ্টায় ১০ লক্ষের বেশি হিট রেকর্ড করা হয়েছে।
সাধারণ মন্তব্য
এই পরীক্ষার বিশালতা এনইউ-কে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে, যার ফলাফল মাস্টার্স ভর্তি, চাকরি ও উচ্চশিক্ষায় প্রভাব ফেলে। ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারবেন।
Resources